চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় ব্যয় সাশ্রয় করায় প্রায় ৯ কোটি টাকা ফেরত পাচ্ছেন সরকারি ব্যবস্থাপনার ৪ হাজার ৯৭৮ জন হাজী। হাজিদের জন্য বরাদ্দকৃত বাসা ভাড়া এবং সার্ভিস চার্জ খরচ কম হওয়ায় এই অর্থ ফেরতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়।
ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন জানিয়েছেন, মোট ৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা হাজিদের মধ্যে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, হাজিদের আর্থিক স্বার্থ রক্ষায় সরকার সচেষ্ট, এবং এ ধরনের সাশ্রয় ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও জানান, ২০২৬ সালের হজ ব্যবস্থাপনার প্রস্তুতিও ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। নভেম্বর মাসের মধ্যে পরবর্তী হজের জন্য চুক্তি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে আগাম ভাড়া নির্ধারণের মাধ্যমে খরচ আরও কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি হজযাত্রীদের জন্য এই অর্থ ফেরতের খবর স্বস্তির বার্তা হয়ে এসেছে। অনেকে মনে করছেন, এ ধরনের উদ্যোগ হাজিদের ওপর আর্থিক চাপ কমাতে এবং স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে, হজ মিশনের বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম নিয়েও ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। এবারও সৌদি আরবে বাংলাদেশ হজ মিশনের ব্যবস্থাপনা প্রশংসিত হয়েছে। হাজিরা অভিযোগ করেছেন তুলনামূলকভাবে কম, যা সরকারের সেবার মানোন্নয়নের প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।
সরকারি পর্যায়ের এমন উদ্যোগ ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষের হজে অংশগ্রহণ সহজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
