মুক্তিযোদ্ধা না হয়েও নির্বাচনী প্রচারণায় নিজের নামের আগে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ উপাধি ব্যবহার করার অভিযোগে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি ও সোনাতলা) আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) তার বিরুদ্ধে এই নোটিশ জারি করা হয়। নির্বাচন কমিশনের অধীন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি জানায়, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট কাজী এরফানুর রহমানের লিখিত অভিযোগের পর বিষয়টি তদন্তে সরেজমিনে অনুসন্ধান চালানো হয়।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণায় অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন নিজেকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিয়ে নিজের নামের আগে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ ব্যবহার করছেন, যদিও তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্বীকৃত মুক্তিযোদ্ধা নন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৬-এর ১৩ ও ১৬ বিধি অনুযায়ী প্রার্থীর পরিচয় ও মর্যাদা নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করা আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের কর্মকাণ্ড নির্বাচনী পরিবেশ ও ভোটারদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে বলেও নোটিশে বলা হয়।
এ অবস্থায় কেন তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না—সে বিষয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দাখিল করতে অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত তারিখে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতে অবস্থিত নির্বাচন অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে লিখিত বক্তব্য জমা না দিলে নির্বাচন আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে সতর্ক করা হয়।
