মাইলস্টোনে ট্র্যাজেডির এক সপ্তাহ

মাইশা তাসনিম, ডেস্ক রিপোর্ট

1 Min Read
রাজধানীর দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের এক সপ্তাহ পর স্পষ্ট হচ্ছে সেই বিভীষিকার পরিসর। সোমবার (২৮ জুলাই) তেজগাঁও এভিয়েশন ইউনিভার্সিটিতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম জানান, দুর্ঘটনার সময় ভবনে ৭৩৮ জন শিক্ষার্থী ছিল এবং সাধারণত ৮০ শতাংশ উপস্থিতি থাকে।

তিনি বলেন, ভবন নির্মাণে রাজউকের অনুমতি নেওয়া হয়েছে। তবে টিনশেড অংশে অনুমতির দরকার হয় না। নিরাপত্তার কথা ভেবেই জানালায় গ্রিল দেওয়া হয়েছিল।

এ ঘটনায় আহত, নিহত ও নিখোঁজদের সঠিক সংখ্যা ও পরিচয় নির্ধারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। এই কমিটিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ নিজেই। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে তিন কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেবে।

২১ জুলাই দুপুর ১টা ১২ মিনিটে বিদ্যালয় ভবনে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে বহু শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মচারী ও অভিভাবক হতাহত হন। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪ জনে। হাসপাতালে ভর্তি অগ্নিদগ্ধদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠে এসেছে। মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়—এটি একটি জাতির নিরাপত্তা সচেতনতার বড় পরীক্ষা।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *