বর্তমানে দেশে চাল ও গম মিলিয়ে মোট ২১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে চাল রয়েছে ১৯ লাখ ৫৪ হাজার মেট্রিক টন এবং গম রয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার মেট্রিক টন।
চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত আরও ৫ লাখ মেট্রিক টন চাল এবং ৪ লাখ মেট্রিক টন গম আমদানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পর্যায়ে আমদানি বাড়ানো হয়েছে।
চলতি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) সরকারিভাবে ৫ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ধান এবং ১৯ লাখ ৬৭ হাজার মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় যথাক্রমে ২ লাখ ৬১ হাজার ও ২ লাখ ২ হাজার মেট্রিক টন বেশি।
এ বছর সরকারি খাতে সর্বমোট ৩৩ লাখ ৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত অর্থবছরের তুলনায় বিতরণ বেড়েছে প্রায় ৪৪ হাজার মেট্রিক টন।
সরকারি তথ্যে আরও জানানো হয়েছে, গম আমদানির উৎস বহুমুখীকরণে যুক্তরাষ্ট্র, আর্জেন্টিনা, বুলগেরিয়া ও ইউক্রেন থেকে গম আনা হয়েছে। আগামী অর্থবছরেও যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্যশস্য সংরক্ষণের ক্ষমতা ছিল ২৩ লাখ ৪১ হাজার মেট্রিক টন। সম্প্রতি মধুপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও নারায়ণগঞ্জে ৪টি আধুনিক সাইলো নির্মাণের ফলে ধারণক্ষমতা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৮৮ হাজার মেট্রিক টনে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই ক্ষমতা ২৬ লাখ ৮৪ হাজার মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।
