শরিয়তপুরের ডামুড্যায় আলোচিত পল্লী চিকিৎসক ও বিকাশ এজেন্ট খোকন দাসকে ছুরিকাঘাতের পর শরীরে আগুন দিয়ে হত্যা করা হয়। টাকা ছিনিয়ে নিতে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন অভিযুক্তরা। এই ঘটনায় তিন আসামিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় মাদারীপুর র্যাব-৮ ক্যাম্পে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানান র্যাব-৮ এর অধিনায়ক কমান্ডার শাহাদাত হোসেন। এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে অভিযুক্ত তিনজনকে কিশোরগঞ্জের পূর্ব পৈলানপুরের বাজিতপুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতাররা হলেন: শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর এলাকার বাবুল খানের ছেলে সোহাগ খান (২৭), সামসুদ্দিন মোল্লার ছেলে রাব্বি মোল্লা (২১), এবং শহীদ সরদারের ছেলে পলাশ সরদার (২৫)।
র্যাব জানায়, বুধবার রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ছুরিকাঘাতে আহত হন খোকন দাস। হামলাকারীরা তাকে চিনে ফেললে তার শরীর ও মুখে পেট্রল ঢেলে আগুন ধরিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয়। পরে খোকন দাসকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার সকালে তিনি মারা যান। খোকন দাস শরিয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের তিলই এলাকার বাসিন্দা এবং মোবাইল ব্যাংকিং বিকাশের এজেন্ট ছিলেন। এই ঘটনায় খোকন দাসের বাবা পরেশ চন্দ্র দাস বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
অভিযুক্তরা ঘটনার পরপরই গা ঢাকা দেন। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-৮ এর অধিনায়ক শাহাদাত হোসেন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।
