নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় এক খামারির পাঁচটি মহিষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি হাতিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। জিডি সূত্রে জানা যায়, হাতিয়া উপজেলার জাহাজমারা ইউনিয়নের বাসিন্দা মোঃ বাহার উদ্দিন তার পালিত পাঁচটি মহিষ চুরি যাওয়ার অভিযোগ করেছেন।
সূত্রে আরও জানা যায়, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে আনুমানিক ১২ টার সময় কে বা কারা হুইরিয়ার চর হতে তিনটি গোট মাদাম মহিষ, একটি ছেলা মহিষ ও একটি ছেলা বাচ্চা মহিষ সহ মোট পাঁচটি মহিষ চুরি করেছে। চুরি যাওয়া মহিষগুলোর আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় পাঁচ হতে ছয় লক্ষ টাকা।
ক্ষতিগ্রস্ত খামারি বাহার উদ্দিন ইনসাইডকে জানান,
খোঁজাখুঁজির পরও মহিষগুলোর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি এবং তিনি কোনো সন্দেহভাজনের নামও শনাক্ত করতে পারেননি। সন্দ্বীপে কিছু মহিষ প্রশাসনের জিম্মায় আছে শুনে আমি সন্দ্বীপে এসেছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রশাসনের নিকট জমা দিয়েছি। সন্দ্বীপ প্রশাসনের নিকট ন্যায়বিচার পাওয়ার আশা করছেন হাতিয়ার এই বাসিন্দা।
এদিকে এলাকার বাসিন্দারা জানান, গত কয়েক মাসে হাতিয়াসহ উপকূলীয় বিভিন্ন এলাকায় গবাদিপশু চুরির ঘটনা বাড়ছে, যা নিয়ে তারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের উপকূলবর্তী দ্বীপ উপজেলা সন্দ্বীপে ৪ জুলাই সন্ধ্যায় উদ্ধার হওয়া ২৮৪টি মহিষকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নোয়াখালী ও ভোলা জেলার বিভিন্ন গ্রামে মহিষ চুরির একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে, যেগুলোর সঙ্গে সন্দ্বীপে হঠাৎ পাওয়া এই বিপুল সংখ্যক মহিষের যোগসূত্র থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।
