গাজা যুদ্ধ বন্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। আরব মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে আলোচনায় হামাসের পক্ষ থেকে প্রাথমিকভাবে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে বলে জানা গেছে। তবে সংগঠনটি কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারায় সংশোধনী চাইতে পারে।
সূত্র মতে, আরব দেশগুলোর সঙ্গে সাম্প্রতিক আলোচনায় হামাস গাজা যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনাকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে। আজকের মধ্যেই সংগঠনটির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক জবাব আসতে পারে।
ট্রাম্প এরইমধ্যে জানিয়েছেন, তার প্রস্তাব ইসরাইলি ও আরব নেতারা মেনে নিয়েছেন, এখন কেবল হামাসের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, “হামাস রাজি হবে কিংবা হবে না, আর যদি রাজি না হয় তাহলে খুব খারাপ পরিণতি হবে।”
শান্তি পরিকল্পনা প্রথমে ২১ দফায় প্রস্তাবিত হলেও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু শেষ মুহূর্তে কয়েকটি পরিবর্তন আনেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো—গাজা থেকে ইসরাইলি সেনা প্রত্যাহার বিলম্বিত করা ও হামাসকে নিরস্ত্র করার শর্ত যুক্ত করা। এই পরিবর্তনে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মিশর ও কাতার।
মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক মহলে আলোচনায় উঠে এসেছে, হামাস সংশোধনের প্রস্তাব দিলে কাতার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করবে।
এর আগে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ট্রাম্প আটটি আরব ও মুসলিম দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে গাজার যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার ভিত্তি তৈরি হয়। তবে ইসরাইলি সংশোধনীর কারণে চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
যুদ্ধ বন্ধে ট্রাম্পের এই আলটিমেটামকে ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হচ্ছে হামাস কি চাপের মুখে প্রস্তাবে সায় দেবে, নাকি গাজায় রক্তপাত আরও দীর্ঘায়িত হবে।
