সাইবার প্রতারণায় কঠোর শাস্তির বিধান, সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড

মাইশা তাসনিম, ডেস্ক রিপোর্ট

2 Min Read

ডিজিটাল যুগে সাইবার স্পেসের দ্রুত সম্প্রসারণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অনলাইন প্রতারণা, জুয়া এবং জালিয়াতির মতো অপরাধ। এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি কার্যকর হওয়া সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ ২০২৫ সাইবার অপরাধ দমনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

অধ্যাদেশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, অনলাইনে বা সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার উদ্দেশ্যে কোনো প্ল্যাটফর্ম বা অ্যাপ তৈরি, পরিচালনা, খেলায় অংশগ্রহণ, প্রচার বা বিজ্ঞাপন দেওয়া হলে তা ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এর শাস্তি সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা।

জালিয়াতির ক্ষেত্রেও কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সাইবার স্পেস ব্যবহার করে আর্থিক বা অন্যান্য জালিয়াতি করলে অপরাধীকে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা ২০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।

সবচেয়ে কঠোর শাস্তির বিধান করা হয়েছে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে অপরাধ সংঘটনের ক্ষেত্রে। এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড অথবা ৫০ লাখ টাকা জরিমানা, কিংবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সাইবার স্পেসে নজরদারি জোরদার করেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই আইন কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষ অনলাইনে নিরাপদ বোধ করবে।

বিশ্বজুড়ে সাইবার অপরাধ বাড়ছে এবং বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। হ্যাকিং, ফিশিং, ভুয়া বিনিয়োগের প্রলোভন, এমনকি অনলাইন জুয়া—এসবই মানুষের আর্থিক ক্ষতি এবং তথ্য নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে। নতুন এই আইন দেশে ডিজিটাল নিরাপত্তার এক শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *