রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু), হল সংসদ ও সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ আজ মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) শেষ হয়েছে। আগামীকাল বুধবার প্রকাশ করা হবে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা।
নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, রাকসুর ২৩টি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২৬০ জন প্রার্থী। সহসভাপতি (ভিপি) পদে ২০ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ১৫ জন এবং সহসাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে ১৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া সিনেট ছাত্র প্রতিনিধি নির্বাচনের পাঁচটি পদে ৬২ জন প্রার্থী রয়েছেন। প্রতিটি হলে ১৫টি পদে মোট ১৭টি হলে মনোনয়ন জমা পড়েছে ৬০৩ জন প্রার্থীর।
সংশোধিত তফসিল অনুযায়ী, ১০ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক তালিকা প্রকাশের পরদিন ১১ সেপ্টেম্বর আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি করা হবে। ১৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে, আর ১৪ সেপ্টেম্বর প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা। এরপর ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত একাডেমিক ভবনে ভোটগ্রহণ শেষে ওই দিনই ফলাফল ঘোষণা করা হবে।
প্যানেল ঘোষণা, ক্যাম্পাসে উত্তেজনা
এখন পর্যন্ত চারটি প্যানেল নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে রয়েছে—‘সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোট’, ছাত্রদল মনোনীত প্যানেল, ‘গণতান্ত্রিক শিক্ষার্থী পর্ষদ’ ও ‘রাকসু ফর র্যাডিক্যাল চেঞ্জ’। শিগগিরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ আরও কয়েকটি সংগঠনও প্যানেল ঘোষণা করতে পারে।
প্রতিটি প্যানেল থেকেই সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সহসাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। এতে প্রতিযোগিতা আরও কঠিন হবে বলে ধারণা করছেন শিক্ষার্থীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এখন নির্বাচনী উৎসবের আমেজ। লিফলেট, পোস্টার, মিছিল-মিটিংয়ে সরব শিক্ষার্থীরা মনে করছেন, এই নির্বাচন দীর্ঘদিনের শূন্যতা পূরণ করে নতুন নেতৃত্ব গঠনের পথ তৈরি করবে।
