খুলনার ফুলতলা উপজেলায় আছিয়া বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার দামোদর হ্যাচারি মোড়সংলগ্ন নিজ বাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত আছিয়া বেগম ওই এলাকার শহীদ মোল্লার স্ত্রী।
ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে হোসেন কাজী (৩২) নামের এক যুবককে আটক করেছে। তিনি নড়াইল সদর থানার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত আছিয়া বেগম ও আটক হোসেন কাজী দূরসম্পর্কের আত্মীয় ছিলেন, এবং তাঁদের মধ্যে পূর্বপরিচয় ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
পুলিশ জানায়, হত্যার পর অভিযুক্ত হোসেন কাজী বাড়ির ছাদের পানির ট্যাংকের ভেতরে লুকিয়ে ছিলেন। পরে তল্লাশির সময় তাঁকে সেখান থেকে আটক করা হয়।
ফুলতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জেল্লাল হোসেন জানান, ঘটনার সময় আছিয়ার স্বামী বাড়িতে ছিলেন না। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন,
বাড়ির দোতলায় নিহত আছিয়া থাকতেন। আলামত সংগ্রহের সময় ছাদে গিয়ে পানির ট্যাংকের ভেতর লুকিয়ে থাকা হোসেন কাজীকে পাওয়া যায়। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশের ধারণা, এটি একটি পরকীয়াজনিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে। তবে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ওসি জেল্লাল হোসেন।
