প্রিয় নেত্রীকে হারিয়ে যশোরজুড়ে শোকের আবহ

নিজস্ব প্রতিনিধি

2 Min Read

তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে যশোরজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোকের আবহ। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যুর খবর পৌঁছালে জেলা জুড়ে দলীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে শোকের প্রকাশ দেখা যায়।

ভোর থেকেই যশোর লালদীঘি পাড়ায় জেলা বিএনপির কার্যালয়ে জড়ো হতে থাকেন নেতাকর্মী ও সমর্থকরা। অনেক প্রবীণ নেতাকে প্রিয় নেত্রীর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়তে দেখা যায়। জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং শোকের প্রতীক হিসেবে নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করেন।

শহরের দড়াটানা, বড় বাজার, পালবাড়ি মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও শোকের ছাপ লক্ষ্য করা যায়। রিকশাচালক, ব্যবসায়ী ও পথচারীদের অনেকে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। সাধারণ নাগরিকদের অনেকেই বলেন, তিনি ছিলেন নারী নেতৃত্ব ও গণতন্ত্রের এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক।

এসময় বিএনপি নেতা মুনীর আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু অভিযোগ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা রয়েছে। তিনি বলেন, বেগম জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। তাঁর মৃত্যু একটি যুগের অবসান।

জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন গণতন্ত্র ও ঐক্যের প্রতীক। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি কখনও আপস করেননি। তাঁর মৃত্যুতে দল ও দেশ একজন অভিভাবক হারালো।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি দলের নেতা ছিলেন না, তিনি ছিলেন কোটি মানুষের আস্থার প্রতীক। তাঁর চলে যাওয়া দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতা সৃষ্টি করেছে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *