গাজায় চলমান রক্তক্ষয়ী হামলা ও জাতিগত নিধনের অভিযোগের মধ্যেই ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রেখেছে যুক্তরাজ্য। গেল আগস্ট মাসেই দেশটি ইসরাইলে পাঠিয়েছে এক লাখেরও বেশি বুলেট, সঙ্গে ছিল ট্যাঙ্ক ও রাইফেলের যন্ত্রাংশ।
তথ্য অনুযায়ী, আগস্ট মাসে যুক্তরাজ্যের অস্ত্র রফতানির পরিমাণ ছিল দেড় লাখ পাউন্ডেরও বেশি। এর মধ্যে শুধু বুলেটের বাজারমূল্য দাঁড়ায় প্রায় ২০ হাজার পাউন্ড। কাস্টমস কোডে এসব সরবরাহকে সরাসরি বুলেট হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এছাড়াও ক্ষেপণাস্ত্র, বিস্ফোরক ও গোলাবারুদও গেছে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে।
শুধু আগস্ট নয়, চলতি বছরের জুন মাসেই প্রায় ৪ লাখ পাউন্ড মূল্যের গোলাবারুদ ইসরাইলে প্রবেশ করেছিল, যা গত তিন বছরের মধ্যে এক মাসে সর্বোচ্চ সরবরাহ।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, গেল মাসেই যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের তীব্র নিন্দা জানায়। তবুও দেশটির সক্রিয় অস্ত্র রফতানি লাইসেন্সের সংখ্যা এখনো প্রায় ৩৫০, যার মধ্যে ১৬০টিরও বেশি সরাসরি সামরিক খাতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদিত।
একই সময়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে, যেখানে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, গাজায় ইসরাইল জাতিগত নিধন চালাচ্ছে।
রাজনৈতিক অবস্থান ও বাস্তব পদক্ষেপের এই দ্বৈত চরিত্র এখন আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।
