রাজধানীর উত্তর বাড্ডায় একটি বাড়ির নিচতলার গুদামঘর থেকে এক যুবক ও এক নারীর গলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ কয়েকদিন ধরে ছড়িয়ে থাকা তীব্র দুর্গন্ধ থেকেই বিষয়টি ফাঁস হয়।
রাজধানীর উত্তর বাড্ডার একটি আবাসিক ভবনের নিচতলার গুদামঘরে দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে স্থানীয়রা ভয়াবহ দৃশ্যের মুখোমুখি হন—সেখানে পড়ে ছিল এক যুবক ও এক নারীর পচে যাওয়া মরদেহ।
স্থানীয়দের বরাতে বাড্ডা থানা পুলিশ জানায়, নিহত যুবকের নাম সাইফুল ইসলাম (২৪)। তিনি পাশের ইবনে কাসির ক্যাডেট মাদ্রাসায় দারোয়ানের কাজ করতেন। নিহত নারীও এলাকাতেই গৃহকর্মীর কাজ করতেন।
ঢাকা মহানগর পুলিশের বাড্ডা জোনের সহকারী কমিশনার সফিকুল ইসলাম সময় নিউজকে জানান,
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অন্তত ৭–৮ দিন আগে তাদের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।
অন্যদিকে, বাড়ির মালিক আতিক জানান, কিছুদিন আগে স্ত্রী মারা যাওয়ায় তিনি গ্রামের বাড়িতে ছিলেন। ফিরে এসে বাসা পরিষ্কার করার সময় পচা গন্ধ পান।
তিনি বলেন,
প্রথমে কয়েকটা মরা ইঁদুর পেয়েছিলাম, ফেলে দিই। কিন্তু সকালে আবারও দুর্গন্ধ পাই। নিচতলার গুদামে গিয়ে দেখি দুইটা মরদেহ পড়ে আছে।
পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ দুটি উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
পুলিশ বলছে, মৃত্যুর পেছনে হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো রহস্য, তা তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।
