ক্ষমতায় গেলে জুলাই–আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদদের পরিবারের দেখভালের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি বিভাগ খোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার ও গুরুতর আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিএনপি সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন করেছিল। ভবিষ্যতে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে জুলাই আন্দোলনের যোদ্ধা ও তাদের পরিবারগুলোর দেখভালের জন্য ওই মন্ত্রণালয়ের অধীনে আলাদা বিভাগ চালু করা হবে। তিনি বলেন, জুলাইয়ের যোদ্ধারাও এক ধরনের মুক্তিযোদ্ধা।
তিনি আরও জানান, জুলাই আন্দোলনে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। অনেকেই চোখ হারিয়েছেন কিংবা স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়েছেন। দেড় হাজারের মতো মানুষের নিহত হওয়ার ঘটনাকে তিনি গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আহতদের ক্ষতিপূরণ দুইভাবে নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হবে—এক, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে সর্বোচ্চ চিকিৎসা; দুই, রাজনৈতিক ও যোগ্যতা অনুযায়ী তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
জুলাই আন্দোলনের সাহসিকতার কারণেই ফ্যাসিবাদী শক্তি শুধু ক্ষমতা নয়, দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, ২০২৪ সালের আন্দোলন কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়, এটি অধিকার বঞ্চিত মানুষের গণ-আন্দোলন।
নিরাপদ গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত না হলে শোক আর বেদনার অধ্যায়ই চলতে থাকবে।
