ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মজয়ন্তীতে কবির সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এক তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। আজ রোববার (২৫শে মে) সকালে তিনি বলেন,
“দেশের চলমান রাজনৈতিক সংকট ঘনীভূত করতে অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু উপদেষ্টা সচেষ্ট।”
তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তারা যদি নিরপেক্ষ দায়িত্ব পালনের বদলে অন্য কোনো রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেন, তাহলে বিএনপি চুপ থাকবে না—তীব্র প্রতিবাদ করা হবে।
রিজভী বলেন,“অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে জনগণ নিরপেক্ষ আচরণ আশা করে। কোনও দলকে প্রতিষ্ঠিত করার দায়িত্ব তাদের নয়। এমনটি হলে জনগণ মানবে না।”তিনি আরও বলেন,
“ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে। প্রয়োজনীয় সংস্কার সম্পন্ন করে দ্রুত নির্বাচন দিতে হবে।”
নজরুল প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, “কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা, সাহিত্যকর্ম, গান যুগে যুগে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করেছে। জুলাই আন্দোলন থেকে শুরু করে বিগত ১৫ বছরের গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে নজরুল ছিলেন আমাদের প্রেরণার উৎস। তিনি আমাদের শৃঙ্খলমুক্তির তাগিদ দিয়েছেন।”
জাতীয় কবির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রিজভী বলেন, “নজরুল কেবল অতীতের প্রতীক নন—তিনি আজও আমাদের জাতীয় ও ব্যক্তিজীবনের প্রতিটি স্তরে প্রাসঙ্গিক। তার আদর্শেই আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ।”
বিএনপির এই বক্তব্য দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে, যেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন রয়েছে। রিজভীর হুঁশিয়ারি একটি নতুন রাজনৈতিক চাপ তৈরির ইঙ্গিত বলেই বিশ্লেষকদের ধারণা।
