উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে দুটি আইন চূড়ান্তভাবে এবং তিনটি আইন নীতিগতভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
তিনি জানান, শ্রম আইন (সংশোধন) ২০২৫ এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট আরপিও (Representation of the People Order) আইন চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে। এর ফলে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা ও নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ এখন কার্যকর হওয়ার অপেক্ষায়।
ড. আসিফ নজরুল আরও বলেন, তিনটি আইন — দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর আইন, এবং সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় আইন — নীতিগতভাবে অনুমোদন পেয়েছে। এখন এসব আইনের খসড়া নিয়ে চূড়ান্ত পর্যালোচনা ও জনমত যাচাইয়ের পর সংসদে উপস্থাপন করা হবে।
আইন উপদেষ্টা জানান, নতুন শ্রম আইন সংশোধনের মাধ্যমে শ্রমিকদের নিরাপত্তা, মজুরি, এবং ট্রেড ইউনিয়নের স্বাধীনতা আরও জোরদার করা হবে। অন্যদিকে, আরপিও আইনে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা ও নির্বাচনী তদারকি কাঠামোতে কিছু কাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়েছে যাতে ভবিষ্যতের নির্বাচন আরও অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ হয়।
নীতিগতভাবে অনুমোদিত দুর্নীতি দমন কমিশন আইন সম্পর্কে তিনি বলেন,
নতুন আইনে তদন্ত প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, সময়সীমা নির্ধারণ, এবং অভিযোগ নিষ্পত্তিতে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। পর্যবেক্ষকদের মতে, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো অন্তর্বর্তী সরকারের আইন সংস্কার উদ্যোগে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হবে।
