জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় খালাস পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
রবিবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। প্রায় ১৬ বছর আগে ২০০৯ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলাটি দায়ের করেছিল। অভিযোগপত্রে বলা হয়, রাজধানীতে দুটি বাড়ি, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সামগ্রী ও অবৈধ অর্থ আদায়ের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ৮৭ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছিলেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত রায়ে বলেন, অভিযোগ প্রমাণে ব্যর্থ হয়েছে দুদক। সাক্ষ্য-প্রমাণের ঘাটতির কারণে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে অভিযোগ থেকে খালাস দেওয়া হয়।
খালাসের পর গয়েশ্বরের আইনজীবীরা জানান, “এই মামলায় কোনো পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ হাজির করতে পারেনি দুদক। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের মক্কেলকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে।”
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, “আমি খালাস পেয়েছি, কিন্তু এই ১৬ বছরের হয়রানির ক্ষতিপূরণ কেউ দিতে পারবে না। বিচার পেতে এত সময় কেন লাগল, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।”
সম্প্রতি অন্য একটি মামলায়ও বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়, যার মধ্যে গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসও ছিলেন।
এই রায় বিএনপির রাজনীতিতে স্বস্তির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে, বিশেষ করে চলমান মামলাগুলোর প্রেক্ষাপটে যেখানে অনেক নেতাকর্মী এখনো বিচারাধীন অবস্থায় রয়েছেন।
