চট্টগ্রামে এবারের বর্ষায় রেকর্ড পরিমাণ বৃষ্টি হলেও আশ্চর্যজনকভাবে দেখা যায়নি জলাবদ্ধতার চিরচেনা চিত্র। শহরের পরিচিত সংকটগুলো যেন এবার বদলে গেছে। আর এই পরিবর্তনের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের।
চসিক দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে খাল ও নালার সংযোগ নিশ্চিত করেছে। যেসব এলাকায় পানি জমে থাকতো, সেখানে এখন তা দ্রুত সরে যাচ্ছে। খালগুলো প্রশস্ত করা হয়েছে, অপসারণ করা হয়েছে ময়লা, শোলা আর জমে থাকা কাদা।
পাশাপাশি কর্ণফুলী নদীর মুখে করা হয়েছে ড্রেজিং, যার ফলে পানি নামার গতি বেড়েছে কয়েকগুণ।
বহু খাল দখলমুক্ত করে ১৭ ফুট পর্যন্ত প্রশস্ত করা হয়েছে। ফলে কোথাও আর পানি আটকে থাকছে না। সিটি করপোরেশন দোকানঘেঁষা নালা পরিষ্কার করেছে, অবৈধ স্থাপনাও অপসারণ করেছে, যা পানি চলাচলে বড় পরিবর্তন এনেছে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা স্পষ্ট করে বলেন—নালার সঙ্গে খালের সংযোগ নিশ্চিত করাই ছিল মূল কাজ। আর সেটিই বদলে দিয়েছে চট্টগ্রামের বর্ষার দৃশ্যপট।
চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন এই সফলতার পেছনে আন্তঃপ্রতিষ্ঠানিক সমন্বয় ও স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাকে মূল শক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন।
চট্টগ্রামের মানুষ বহু বছর পর পেল এমন এক বর্ষা, যেখানে আতঙ্ক নয়, বরং স্বস্তি ছিল বৃষ্টির সঙ্গে। আর সেই স্বস্তির মূল কারিগর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
