চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অদ্বিতীয় প্রতিবাদ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিক্ষার্থীরা প্রশাসনিক ভবনের নাম কেটে সেখানে লিখেছেন ‘নিয়োগ–বাণিজ্যের জমিদার’। তাদের দাবি, প্রশাসন শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেনি, আর সংঘর্ষের সময় নিয়োগ কার্যক্রম চলছিল।
শিক্ষার্থী ইশা দে জানিয়েছেন, তারা বেলা ২:৪০ থেকে দেয়াললিখন, গান ও কবিতার মাধ্যমে প্রতিবাদ কার্যক্রম চালিয়েছিলেন। প্রতিবাদের দুই মিনিটের মধ্যেই সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক মো. কোরবান আলী এসে বাধা দেন।
পরবর্তীতে বিকেলে দুই ছাত্রী ভবনের ছবিটি তোলার সময় উপাচার্য ইয়াহ্ইয়া আখতার উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছেন, উপাচার্য তাদের পরিচয় জিজ্ঞেস করে অভিভাবক ডাকার হুমকি দিয়েছেন।
অন্যদিকে, সহকারী প্রক্টর এবং উপাচার্য বলেন, তারা শুধুমাত্র নিয়ম মেনে ছাত্রদের আইডি যাচাই করেছেন এবং কেউ প্রশাসনিক ভবনের নাম পরিবর্তন করতে পারবে না।
এর আগেই ‘অধিকার সচেতন শিক্ষার্থীবৃন্দ’ সাত দফা দাবি উত্থাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে আহতদের চিকিৎসা, নিরাপদ আবাসন, অপরাধীদের বিচারের নিশ্চয়তা এবং সিন্ডিকেটের কার্যক্রম বন্ধ করা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কার্যালয়ও সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
এ ঘটনার মাধ্যমে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, প্রশাসনের তৎপরতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার সংবেদনশীলতা নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
