জয়পুরহাটে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে জেলা, শহর ও দুটি কলেজ শাখার সাত নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। তবে এই বহিষ্কার কেন্দ্রের নির্দেশনার বিপরীতে মাঠপর্যায়ে ক্ষোভ ও প্রতিবাদের স্রোত তৈরি করেছে।
কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বহিষ্কৃত নেতাদের সঙ্গে কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃতদের মধ্যে রয়েছেন—জেলা ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সরকারি কলেজ শাখার সদস্য সচিব পিয়াস আহম্মেদ পৃথিবী, যুগ্ম আহ্বায়ক সাগর চৌধুরী ও আহাদ হোসেন, শহর শাখার সদস্য সচিব হাসানুল বান্না হাসান, যুগ্ম আহ্বায়ক সোহরাফ হোসেন ইমন এবং শহীদ জিয়া ডিগ্রি কলেজ শাখার সভাপতি রাকিবুল করিম রাকিব।
বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বহিষ্কৃত নেতাদের নেতৃত্বে শহরের প্রধান সড়কে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। পরে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, অগণতান্ত্রিকভাবে জয়পুরহাট সরকারি কলেজ ছাত্রদলের কাউন্সিল করতে বাধা দেওয়া হয়েছে। এরপর ষড়যন্ত্র করে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। তারা দাবি করেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে জেল-জুলুম ও নির্যাতন সহ্য করেও সংগঠনের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তারা, অথচ আজ কুচক্রী মহলের কারণে দল থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা চলছে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে তিন দিনের মধ্যে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার না করা হলে রোববার থেকে অনশনসহ কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। বহিষ্কৃত নেতারা আরও জানান, প্রয়োজনে ছাত্রদলের তিন শতাধিক নেতা গণহারে পদত্যাগ করবেন।
