বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অলরাউন্ডার সোহাগ গাজী জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) স্কোয়াড থেকে বাদ পড়ায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির কাছে লিখিতভাবে ন্যায়বিচার চেয়েছেন। বরিশাল বিভাগীয় দল থেকে কোনো কারণ ছাড়াই নিজের নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন তিনি।
চিঠিতে সোহাগ গাজী উল্লেখ করেছেন, তিনি একসময় জাতীয় দলের হয়ে টেস্ট, ওয়ানডে ও টি–টোয়েন্টি তিন সংস্করণেই বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তার ভাষায়,
দেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে আমার শতক এবং এক ইনিংসে ছয় উইকেট নেওয়ার সেই মুহূর্ত আজও আমার কাছে গর্বের স্মৃতি। সেই আবেগকে পুঁজি করে আমি দীর্ঘদিন ঘরোয়া ক্রিকেটে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে খেলে যাচ্ছি।
নিজের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১১৭ ম্যাচে ৩৬৯ উইকেট ও ৫ হাজার ১০২ রান করেছেন—যা একজন কার্যকর অলরাউন্ডার হিসেবে তার ধারাবাহিকতা ও দক্ষতার প্রমাণ বহন করে।
চিঠিতে তিনি আরও লেখেন,
এনসিএল আমার পেশাদার জীবনের মূল ভিত্তি। এখানেই আমি নিজের জীবিকার সংস্থান করি এবং ক্রিকেটের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকে সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করি। কিন্তু হঠাৎ নাম বাদ পড়ায় আমার পেশাগত ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
সোহাগ গাজী দাবি করেছেন, তিনি ফিট এবং খেলার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। তার ফিটনেস টেস্টও সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। তবুও তাকে দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি—যা তার কাছে ‘অবুঝে নেওয়া’ সিদ্ধান্ত বলে মনে হয়েছে।
চিঠির শেষ অংশে তিনি বিসিবি সভাপতির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন,
আপনার ন্যায়বিচারের স্পর্শে যেন আমার খেলার সুযোগ পুনরুদ্ধার হয়। আমি বিশ্বাস করি, আমার পারফরম্যান্সই আমার সবচেয়ে বড় যোগ্যতার প্রমাণ।
ঘরোয়া ক্রিকেটে একসময় নিয়মিত পারফর্মার হিসেবে পরিচিত সোহাগ গাজীর এই চিঠি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে—বোর্ডের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও খেলোয়াড়দের সুযোগ–বঞ্চনার প্রশ্নে।
