বিশ্ব পর্যটন দিবসের সকালটা যেন অন্যরকম এক উচ্ছ্বাসে ভেসে উঠেছে কক্সবাজার সৈকতে। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে লাবণী, সুগন্ধা, কলাতলী—প্রতিটি পয়েন্টে ভ্রমণপিপাসু মানুষের ঢল। শিশুর কোলাহল, তরুণদের হাসি, প্রবীণদের প্রশান্ত চোখ—সব মিলিয়ে যেন এক উৎসবের আবহ।
এই আনন্দের ভিড়ে যেন কোনো অস্বস্তি না থাকে তা নিশ্চিত করতে আজ শুক্রবার (২৬শে সেপ্টেম্বর) থেকে নেয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ট্যুরিস্ট পুলিশ, জেলা পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্বেচ্ছাসেবীরা একযোগে মাঠে। সৈকতের প্রতিটি কোণে টহল, নজরদারি, সহায়তা কেন্দ্র—সবই যেন একটাই বার্তা দিচ্ছে: “আপনি নিরাপদ, নিশ্চিন্ত, স্বাগত।”
সৈকতের বুকে স্থাপিত হয়েছে কন্ট্রোল রুম ও হেল্প ডেস্ক। কেউ হারিয়ে গেলে, কেউ অসুস্থ হলে, কেউ সমস্যায় পড়লে—সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে এই কেন্দ্রগুলো। যেন প্রতিটি পর্যটকই এখানে পরিবারের একজন।

অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদের কণ্ঠে ছিল দৃঢ়তা ও আশ্বাস: “পর্যটকরা যেন নিশ্চিন্তে সময় কাটাতে পারেন, সে জন্য আমাদের সদস্যরা দিন-রাত টহলে আছেন।” তাঁর কথায় যেন সৈকতের বালুকণাও আশ্বস্ত হয়ে ওঠে।
পর্যটকদের চোখে-মুখে প্রশান্তি। কেউ বলছেন,
এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আর দেখিনি
কেউ বলছেন,
পরিবার নিয়ে এসেছি, নিরাপত্তায় কোনো কমতি নেই, তাই মনটাও শান্ত
নিরাপত্তা যেন হয়ে উঠেছে উৎসবের সবচেয়ে বড় আয়োজন।
এদিকে দিবসটি ঘিরে কক্সবাজারে চলছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, পর্যটন মেলা, সৈকত পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি। কিন্তু সব আয়োজনের মধ্যেও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু একটাই—নিরাপত্তা। কারণ, নিরাপত্তা ছাড়া আনন্দ অসম্পূর্ণ। আর কক্সবাজার আজ সেই পূর্ণতার গল্প লিখছে।
