বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা তুঙ্গে। হেভিওয়েট দুই প্রার্থী আমিনুল ইসলাম বুলবুল ও তামিম ইকবাল মুখোমুখি অবস্থানে থাকায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এই নির্বাচন।
এরই মধ্যে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তামিম ইকবাল। বিশেষ করে কাউন্সিলরশিপ হারানোর শঙ্কা নিয়ে তার প্রকাশ্য অভিযোগ আলোচনার ঝড় তোলে।
শুক্রবার (২৬শে সেপ্টেম্বর) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সে শঙ্কা কেটে গেলেও বৃহস্পতিবার তামিম আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছিলেন, তার কাউন্সিলরশিপ বাতিল হয়ে যেতে পারে, এমনকি রিট বা মামলার মুখে পড়তে পারেন।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচনের সময় নানা গুজব ছড়ায়, তবে কাউন্সিলর তালিকায় কাউকে বাদ দেওয়া হয়নি। গুজবের ওপর নির্ভর না করে সরকারি কাগজপত্র ও সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কথা বলার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন ঘিরে অনেকে শঙ্কা ছড়ালেও বাস্তবে নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক পরিবেশ নিশ্চিত করা হচ্ছে। আগের মতো প্রধানমন্ত্রী বা কোনো উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা কাউকে বেছে দেবেন না, বরং প্রকৃত প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেই বিজয়ী নির্ধারিত হবে। তার ভাষায়,
এবার প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং সত্যিকারের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যিনি আসবেন, তাকে মেনে নিতে কোনো সমস্যা নেই।
তবে তামিমকে সামনে রেখে একটি পক্ষ সুবিধা আদায় করছে এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে দাবি করেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
অন্যদিকে, তামিমও অভিযোগ করেছেন, সরকারের উর্ধ্বতন মহল থেকে বিসিবি নির্বাচনকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে। ফলে সম্পর্ক ব্যক্তিগতভাবে খারাপ না হলেও গুঞ্জন ও অভিযোগের কারণে দুই পক্ষের অবস্থান এখন ভিন্ন মেরুতে।
তার মতে, হেরে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলেই নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার প্রবণতা দেখা দেয়। একইসঙ্গে চলমান ক্রিকেটারদের রাজনীতির যন্ত্রে ব্যবহার করাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।
আগামী ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে বিসিবি নির্বাচন, সেদিনই ঘোষণা করা হবে ফলাফল।
