বিসিবি নির্বাচনের ফলাফলের পর তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তিনি বলেছেন,
আমি মনে করি না এটা কোনো নির্বাচন ছিল।
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন,
যখন কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে, সেটা জনসম্মুখে আনা ঠিক না। কিন্তু এই নির্বাচনের যা হয়েছে, সেটাকে আমি কোনো নির্বাচনের মানদণ্ডে ফেলতে পারি না।
তামিমের অভিযোগ, প্রকৃত স্টেকহোল্ডারদের মতামত ও স্বার্থ এই নির্বাচনে উপেক্ষা করা হয়েছে।
যারা এই নির্বাচন করেছেন, তাদের চিন্তা করা উচিত ছিল—এটা কি সত্যিই ক্রিকেটের জন্য, নাকি কিছু ব্যক্তির স্বার্থ রক্ষার জন্য? ক্রিকেটাররা ডিজার্ভ করে একটা ফেয়ার নির্বাচন,
বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন,
আমি যদি স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হতাম, আমি নিশ্চিতভাবে জয়ী হতাম। আমি জানি কোন টিম আমার পক্ষে, কোন টিম বিপক্ষে—তবুও সহজেই পাশ করতাম।
ই-ভোটিং প্রক্রিয়া নিয়েও তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।
সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় হলো, ই-ভোট দেয়ার কথা যাদের উপস্থিত থাকা সম্ভব নয় তাদের জন্য, কিন্তু দেখলাম যারা ই-ভোট দিয়েছে তারাও ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত। তাহলে ই-ভোটিংয়ের প্রয়োজন কী ছিল?
প্রশ্ন রাখেন তামিম।
নির্বাচনের আগে ঘটে যাওয়া পক্ষ পরিবর্তনের প্রসঙ্গেও তিনি তির্যক মন্তব্য করেন।
যে কারও নিজের সিদ্ধান্ত নেয়ার অধিকার আছে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে যারা দিক পরিবর্তন করেছেন, তারা যেন অন্তত নিজেদের কথায় অটল থাকেন। ভবিষ্যতে যেন আবার অবস্থান বদলে না আসেন,
বলেন তিনি।
তামিমের বক্তব্যে স্পষ্ট—তিনি এই নির্বাচনের প্রক্রিয়া ও ফলাফলে সন্তুষ্ট নন, বরং মনে করেন এটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোতে ন্যায্যতার ঘাটতি এবং গণতান্ত্রিক চর্চার সংকটকে সামনে এনেছে।
