অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারত ও বাংলাদেশের মুখোমুখি ম্যাচে টসের সময় বাংলাদেশের সহঅধিনায়ক জাওয়াদ আবরার ও ভারতের অধিনায়ক আয়ুশ মাত্রের মধ্যে হ্যান্ডশেক হয়নি। এই ঘটনা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের পরিপন্থী হিসেবে নজরে আসে, বিশেষ করে টসের আগে সাধারণত দুই অধিনায়কের মধ্যে করমর্দন (হ্যান্ডশেক) দেখা যায়।
বুলাওয়ে ম্যাচে টস করার জন্য বাংলাদেশের পক্ষে মাঠে গিয়েছিলেন সহঅধিনায়ক জাওয়াদ আবরার, কারণ নিয়মিত অধিনায়ক আজিজুল হাকিম অসুস্থতার কারণে টসে উপস্থিত ছিলেন না। টস সঞ্চালকের প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দুই অধিনায়ক মাঠ ছাড়লেও কোনো করমর্দন হয়নি; দুই পক্ষই হ্যান্ডশেকের ইচ্ছা প্রকাশ করেনি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক ও ক্রীড়া অঙ্গনে সমালোচনা ওঠার পর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এক বিবৃতি দিয়ে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছে। বিসিবির ভাষ্য, হ্যান্ডশেক না হওয়া সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ছিল এবং এটি একটি মুহূর্তের অসাবধানতার ফল। এর মাধ্যমে প্রতিপক্ষের প্রতি কোনো অসম্মান বা অশ্রদ্ধা প্রদর্শনের উদ্দেশ্য ছিল না।
বিবৃতিতে বিসিবি আরও জানিয়েছে, বিষয়টিকে তারা গুরুত্বের সঙ্গে দেখেছে, কারণ ক্রিকেটে প্রতিপক্ষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা একটি মৌলিক শর্ত। এই ঘটনায় বোর্ড দল ব্যবস্থাপনাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছে এবং খেলোয়াড়দের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে যে প্রতিপক্ষের সঙ্গে সব ধরনের আচরণে সর্বোচ্চ ক্রীড়াসুলভ মনোভাব, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা তাদের দায়িত্ব।
এ ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক উত্তেজনা কিংবা মনোভাব বোঝার আগেই বিসিবি যে বার্তাটি দিচ্ছে, তা হলো—ক্রিকেট মাঠে শৃঙ্খলা ও সম্মানবোধ বজায় রাখা সবচেয়ে বড় দায়িত্ব, আর তা লঙ্ঘন করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
