শেরপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক ও পাঁচজন সমন্বয়কসহ তিন শতাধিক নেতাকর্মী বিএনপিতে যোগদান করেছেন।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) বিকেলে শহরের রঘুনাথ বাজারে জেলা বিএনপির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এ যোগদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
নতুন যোগদানকারীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন শেরপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও শেরপুর-১ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা এবং সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ হযরত আলী।
যোগদানকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য নেতারা হলেন—বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের চলাকালীন জেলা প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা কমিটির মুখপাত্র ফারহান ফুয়াদ তুহিন, সমন্বয়ক আল মামুন সরকার, সমন্বয়ক ও সিনিয়র সংগঠক আরাফাত রহমান তালুকদার, সংগঠক নাহিম আহমেদ নিলয়, কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব মো. মনিবুল ইসলাম, যুগ্ম সদস্য সচিব শাহরিয়ার নাফিস, মো. রাহাত এবং সদর উপজেলার যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আশিকুর রহমান। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিপুলসংখ্যক সক্রিয় কর্মীও বিএনপিতে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তব্যে ডা. সানসিলা জেবরিন প্রিয়াঙ্কা বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফায় বাংলাদেশ বিনির্মাণের সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। এই যোগদানের মাধ্যমে শেরপুরে বিএনপির বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন আরও শক্তিশালী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বিএনপিতে সদ্য যোগ দেওয়া ফারহান ফুয়াদ তুহিন বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন তারা দেখেছিলেন, তা বাস্তবায়নের চেষ্টা করেও সম্ভব হয়নি। তার ভাষায়, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের সক্ষমতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রয়েছে বলেই তারা বিএনপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
এ সময় সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব নিয়ামুল হাসান আনন্দ, জেলা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. হাসিম সিদ্দিকী বাবু, সাধারণ সম্পাদক নাইম হাসান উজ্জ্বল, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির হোসেনসহ বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
