শের-ই বাংলা মেডিকেলে ভাঙচুরের ঘটনায় রনি ও কাফিসহ ৪২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ

মুসাইব ইব্রাহিম, ডেস্ক রিপোর্ট

1 Min Read

বরিশালের শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবামেক) হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। ১৪ আগস্ট সকাল সাড়ে ১১টায় হাসপাতালের মাঝের গেটের সামনে চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীরা সুষ্ঠু কর্মপরিবেশের দাবিতে মানববন্ধনে অংশ নেন। ঠিক সেই সময় হঠাৎই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে দুই পক্ষ।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যখাত সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম মুখ মহিউদ্দিন রনি, কনটেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফিসহ অন্তত ৪২ জন চাপাতি, লোহার পাইপ, হকিস্টিক ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালান। এতে পরিচ্ছন্নতাকর্মী, অফিস সহায়ক, লিফটম্যানসহ অন্তত দশজন গুরুতর আহত হন। এছাড়া নার্স ও আয়াদের শ্লীলতাহানির অভিযোগও ওঠে।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলার সময় স্থানীয়রা ও পথচারীরা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে সরে যায়। আহতদের পরে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

তবে অভিযুক্ত মহিউদ্দিন রনির বক্তব্য ভিন্ন। তার দাবি, “হাসপাতালের স্টাফরাই আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা ও অনশনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এখন উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে আন্দোলন বানচালের চেষ্টা চলছে।” তিনি অভিযোগ করেন, ঘটনার পর পুলিশ তদন্ত ছাড়াই রাতভর আন্দোলনকারীদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে তল্লাশি চালিয়েছে।

এ ঘটনায় শহরের রাজনৈতিক পরিবেশও সরগরম হয়ে উঠেছে। সমর্থক ও বিরোধী দুই পক্ষই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে দায়ী করছে। এখন সবার নজর তদন্তের অগ্রগতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরবর্তী পদক্ষেপে।

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *