এবারের বিপিএলে শুরু থেকেই আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টা ফাহিম আল চৌধুরী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একাধিক মন্তব্য ভাইরাল হওয়ার পর এবার গুরুতর অভিযোগ এনে নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন তিনি।
বিপিএলের দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের কাছে ১২ রানে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় সিলেট টাইটান্স। ম্যাচ শেষে হতাশা ও ক্ষোভের মধ্যেই ফেসবুক লাইভে এসে সিলেট দলের এক ক্রিকেটারের বিরুদ্ধে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ তোলেন ফাহিম আল চৌধুরী।
লাইভে তিনি বলেন,
প্রিয় বাংলাদেশ, প্রিয় সিলেটবাসী—আজকের ম্যাচটি ভীষণভাবে কলুষিত হয়েছে। আমার কাছে নির্ভরযোগ্য ও প্রমাণযোগ্য তথ্য এসেছে যে ম্যাচের ভেতরে থাকা একজন ব্যক্তি নিজেকে বিক্রি করেছে। সে আমাদের সঙ্গে মিথ্যা বলেছে, সিলেটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে এবং সিলেট টাইটান্সের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।
ফাহিম আরও বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তি সিলেটবাসীর আবেগের সঙ্গে নিষ্ঠুরভাবে বেইমানি করেছেন। তার ভাষায়,
সে চাইলে আমাকে সরাসরি বলতে পারত তার কত টাকা প্রয়োজন। সেটা দেয়া হতো। কিন্তু সে যে কাজটি করেছে, তা আমাকে ভেঙে দিয়েছে।
ম্যাচের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফাহিম আল চৌধুরী জানান, তিনি সিলেট টাইটান্সের উপদেষ্টার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। তবে ফিক্সিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্রিকেটারের নাম প্রকাশ করেননি তিনি।
ফাহিম দাবি করেন, এই ঘটনার এখানেই শেষ হবে না। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হবে এবং দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।
এই অভিযোগের পর বিপিএলে ফিক্সিং ইস্যু নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে, আর সিলেট টাইটান্স শিবিরেও তৈরি হয়েছে তীব্র অস্বস্তি।
