স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের ফলাফলের ভিত্তিতে বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশের সাতটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৪ হাজার ২৫৭ জন শিক্ষার্থীকে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি প্রদান করা হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ১৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বৃত্তির গেজেট প্রকাশ করে নির্ধারিত ই-মেইল ও মহাপরিচালকের কাছে হার্ডকপি জমা দিতে হবে। রাজস্ব খাতভুক্ত বৃত্তির সংখ্যা ও অর্থের পরিমাণ পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে, একই সঙ্গে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির কোটা বণ্টনও নির্ধারিত হয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৫, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৬, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৮, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৬, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১২ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৩ জন শিক্ষার্থী মেধাবৃত্তি পাবেন। সব মিলিয়ে মেধাবৃত্তি দেয়া হবে ১৩২টি। সাধারণ বৃত্তি পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১,৮৭৫, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯৮৪, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫৬২, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৮১, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪১, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪১ এবং ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪১ জন শিক্ষার্থী। মোট সাধারণ বৃত্তির সংখ্যা ৪,১২৫টি।
মেধাবৃত্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থী প্রতি মাসে ১,১২৫ টাকা এবং এককালীন ১,৮০০ টাকা অনুদান পাবেন। সাধারণ বৃত্তির ক্ষেত্রে মাসিক ৪৫০ টাকা এবং এককালীন ৯০০ টাকা প্রদান করা হবে। বৃত্তির মেয়াদ এক বছর।
বৃত্তি প্রদানে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী মেধার ভিত্তিতে তালিকা প্রস্তুত করতে হবে। শিক্ষার্থীর অনুপাতে মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তির ৫০ শতাংশ ছাত্র এবং ৫০ শতাংশ ছাত্রীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। যোগ্য ছাত্রী না পাওয়া গেলে যোগ্য ছাত্রকে দেওয়া যাবে। উচ্চতর শ্রেণিতে ভর্তির পরই শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে। শিক্ষার্থীর নামে অনলাইন ব্যাংক হিসাব থাকতে হবে এবং তা ছাড়া অন্য কোনো নামে অ্যাকাউন্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এছাড়া এমআইএস সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রির সময় নিশ্চিত করতে হবে শিক্ষার্থী নিয়মিত অধ্যয়নরত কিনা।
বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গেজেট প্রকাশ করে তা ই-মেইল ও হার্ডকপির মাধ্যমে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
