ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি: আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন বাঁক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

2 Min Read

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিলো যুক্তরাজ্য, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া। দীর্ঘদিন ধরে অচলাবস্থায় থাকা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় এই পদক্ষেপকে বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রথমবারের মতো জি-৭ ভুক্ত কোনো দেশ—যুক্তরাজ্য—ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিলো। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ঘিরে দেশটির ভেতরে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আলোচনার ঝড় উঠেছে। তিনি জানিয়েছেন, দুই-রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ছাড়া দীর্ঘস্থায়ী শান্তি সম্ভব নয় এবং এই স্বীকৃতির মাধ্যমে নতুন আশার দ্বার খুলে দেওয়া হলো।

অস্ট্রেলিয়া একই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান কার্যকর করতে হলে হামাসকে কোনোভাবেই বৈধ পক্ষ হিসেবে জায়গা দেওয়া যাবে না।

কানাডা বলেছে, এই সিদ্ধান্ত মূলত জাতিসংঘ সনদে প্রতিফলিত আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার ও মৌলিক মানবাধিকারের প্রতি সমর্থন জানাতেই নেয়া হয়েছে। তারা এটিকে কোনো চূড়ান্ত সমাধান নয়, বরং আন্তর্জাতিক সমন্বিত প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে দেখছে।

কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে, এই ধারা আরও প্রসারিত হতে পারে। আসন্ন জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে ফ্রান্সও ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে বলে আশা করা হচ্ছে। বেলজিয়ামও একই ধরনের পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছে।

তবে ইসরাইল এই অবস্থানের তীব্র বিরোধিতা করছে। দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়া মানে হামাসের সন্ত্রাসবাদকে পুরস্কৃত করা।

বিশ্ব রাজনীতির এ নতুন মোড় মধ্যপ্রাচ্যের অচলাবস্থা ভাঙতে কতটা কার্যকর হবে, তা এখনই বলা কঠিন। তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যে একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত তৈরি হলো, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

 

Share This Article
Leave a Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *