মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের আগুন আরও প্রজ্বলিত হলো ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরাইলের বিমান হামলার মাধ্যমে। স্থানীয় সময় রবিবার রাতে তেল প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র ও বিদ্যুৎকেন্দ্র লক্ষ্য করে একাধিক বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। একইসঙ্গে একটি প্রেসিডেন্ট ভবনকেও টার্গেট করা হয় বলে জানা গেছে। যদিও হতাহতের কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
হুতিরা সম্প্রতি ইসরাইলের অভ্যন্তরে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি করার পরপরই এই অভিযান চালানো হলো। বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় যুদ্ধ চলমান থাকায় নতুন করে ইয়েমেনকেও সংঘাতের অগ্নিগর্ভ পরিসরে টেনে আনা হলো।
হুতি নেতৃত্ব জানায়, ইসরাইলি হামলা তাদের সামরিক অভিযানকে থামাতে পারবে না। ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়াতে হলে যত ত্যাগই স্বীকার করতে হোক না কেন, তারা তা অব্যাহত রাখবে। হুতিদের এক শীর্ষ কর্মকর্তা বলেন, “আমাদের সমর্থন কোনো আগ্রাসনে কমবে না।”
অন্যদিকে, ইয়েমেনি পক্ষ অভিযোগ করছে যে ইসরাইল সামরিক স্থাপনা নয় বরং বেসামরিক অবকাঠামোকেই লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ভবনটি বহুদিন ধরে খালি পড়ে আছে—এমন স্থাপনায় হামলা চালানো কেবল “বর্বরতা”রই পরিচায়ক।
আঞ্চলিক কূটনীতিকরা আশঙ্কা করছেন, এই ধাক্কা মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধকে আরও বহুমুখী করে তুলবে। গাজা, লেবানন, সিরিয়ার পর এবার ইয়েমেনও কার্যত সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে।
