চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়াই ব্যালট বাক্সে ভোট ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি ভবনের ২১৪ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
স্বতন্ত্র শিক্ষা সম্মিলনের সমাজসেবা ও পরিবেশ বিষয়ক পদপ্রার্থী হাসিবুর রহমান রনি দাবি করেছেন, তার এজেন্টদের উপস্থিতিতে প্রায় ১৫–২০টি ব্যালট পেপার প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়াই বাক্সে ফেলা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন,
যদি এক কেন্দ্রে ভুল হয়, তাহলে নিশ্চয়তা কোথায় যে অন্য বুথে এমন হবে না?
ঘটনাটির বিষয়ে ওই কক্ষের সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার অধ্যাপক ড. হাসান খালেদ রউফ বলেন,
১২টি ব্যালটে এমন ভুল হয়েছে। নতুন পোলিং এজেন্টরা প্রথমবার কাজ করছে, তাই অনভিজ্ঞতার কারণে ভুল হয়েছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া সিসিটিভির আওতায়, তাই স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠার সুযোগ নেই।
চাকসুর প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দীন জানান, ভোট শুরুর পরপরই বিষয়টি শনাক্ত হয়। তিনি বলেন,
একজন কর্মকর্তা ভুলবশত স্বাক্ষরহীন কিছু ব্যালট দিয়েছেন। আমরা একটি রেজুলেশন করছি যাতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে কতটি ব্যালট স্বাক্ষরহীন। ফলে ভোট গণনার সময় বিষয়টি পরিষ্কারভাবে চিহ্নিত করা যাবে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার মোট ভোটার সংখ্যা ২৭ হাজার ৫১৬ জন। এর মধ্যে ১১ হাজার ৩২৯ জন ছাত্রী। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৬টি পদে প্রার্থী হয়েছেন ৪১৫ জন, আর ১৫টি হল ও একটি হোস্টেল সংসদের ৪৯৩টি পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরও প্রায় ৫০০ জন প্রার্থী।
ক্যাম্পাসের পাঁচটি ভবনের ৬০টি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ওএমআর ব্যালট শিটে শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিচ্ছেন।
