চিন্তার দৈর্ঘ্য–প্রস্থ কমিয়ে যখন আমরা গভীরতা ও নিমগ্নতা বাড়াই, তখনই খুলে যায় অন্তর্চক্ষু। তখন জীবনবোধ ও মনুষ্যত্ব নতুন করে জাগ্রত হয়।
দেশ ও মানুষের প্রতি কলজে ভরা ভালোবাসা নিয়ে সততা,নিষ্ঠা,ন্যাপরায়নতা আর দায়বদ্ধতা নিয়ে মানুষের কল্যাণে কাজ করার যে অনাবিল আনন্দ—সেই আনন্দে আছে এক অদৃশ্য ঐশী শক্তি ও গভীর প্রশান্তি।
এই অনুভব দৃশ্যমান নয়, ভেতর থেকে অনুভূত হয়। এটি অনুভব করার জন্য প্রয়োজন বিদ্বেষমুক্ত, পদ্মদীঘির জলের মত স্বচ্ছ, সফেদ ও সংবেদনশীল মন।
যে যাই সমালোচনা করুক,কটু কাটব্য করুক, আমার অন্তরজ্বালা ও মনন উৎসারিত শ্রেয়বোধ আমাকে প্রতিনিয়ত কোমরে গামছা বেঁধে ন্যায় ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে।
এই কথাগুলো আমি অন্তরের তাড়না থেকেই বারবার বলি, বলেই যাব। হয়তো একদিন কারো বিবেকের দরজায় এ শব্দ কড়া নাড়বে—আর সেদিনই পরিবর্তনের পাখা ঝাপ্টাতে শুরু করবে।
লোভ ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ কোনো অধরা স্বপ্ন নয়; এটি নিবিড় ও গভীর উপলব্ধিরই ফসল।আসুন, আমরা আগাছা ও শষ্যের ভেতর দিয়ে এগিয়ে যেতে যেতে আগাছা উপড়ে ফেলি, আর সোনালী শষ্যের নির্যাস নিঙড়ে নেই।আমরাইতো পরিবর্তনের সম্মুখযোদ্ধা।
আমরা যদি না জাগি মা, কেমনে সেকাল হবে
লেখক: কাজী জিয়া উদ্দিন, ডিআইজি (এইচ আর), পুলিশ হেডকোয়ার্টার, ঢাকা
