শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচিতে পুলিশের বাধার মুখে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় সাউন্ড গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ অন্তত ৪০ জন আহত হন।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে অনেককে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিকেল ৫টার দিকে বাংলামোটর এলাকায় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে যমুনার সামনে নতুন করে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চ। নেতাকর্মীরা শুক্রবারের মধ্যেই জাতিসংঘে চিঠি পাঠিয়ে হাদি হত্যার আন্তর্জাতিক তদন্তের দাবি জানান।
অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন নিহত হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা, ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার মুখপাত্র ও ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমাসহ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা।
এদিকে, বৃহস্পতিবার রাতে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনেও একদল আন্দোলনকারী হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে অবস্থান নেন। তারা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে রাতভর সেখানে অবস্থান করে স্লোগান দেন।
রাত সাড়ে ১২টার দিকে সাংবাদিকদের জাবের বলেন, জাতিসংঘের অধীনে হাদি হত্যার নিরপেক্ষ তদন্তই তাদের একমাত্র দাবি। এই দাবিতে চিঠি পাঠানো না হওয়া পর্যন্ত যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকায় পূর্বঘোষিত ‘ভ্যান র্যালি’ কর্মসূচি স্থগিত করা হয়েছে।
