বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ আপেল মাহমুদ মানবিকতা ও পর্যটন শিল্পের বিকাশে অসাধারণ অবদান রেখে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রেই নয়, বরং মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করেছেন।
পুলিশ কেবল অপরাধ দমনেই সীমাবদ্ধ নয়—এই ধারণাকে বাস্তবে রূপ দিয়েছেন আপেল মাহমুদ। তিনি বিশ্বাস করেন,
ভালো কাজ করতে কোটি টাকার প্রয়োজন নেই, প্রয়োজন একটি মানবিক মন।
সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে দেশজুড়ে বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগে যুক্ত রয়েছেন।
গত অর্ধযুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ ট্যুরিস্ট পুলিশের হয়ে পর্যটন শিল্পের বিকাশে নিবেদিতভাবে কাজ করছেন এই চৌকস কর্মকর্তা। পর্যটন এলাকায় মাদক, সন্ত্রাস, ও অপরাধ দমনে তার কঠোর অবস্থান তাকে ‘পর্যটন শিল্পের অ্যাম্বাসেডর’ হিসেবে পরিচিত করেছে।
তার এই কর্মদক্ষতা ও মানবিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন ল্যান গ্রীন লাইফ অ্যাওয়ার্ড, বিজিসিএফ অ্যাওয়ার্ডসহ নেপাল, ভুটান ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার।
করোনাকালীন সময়েও আপেল মাহমুদ ছিলেন অসহায় মানুষের পাশে। তিনি নিজ উদ্যোগে বিতরণ করেছেন খাদ্যসামগ্রী ও স্বাস্থ্যসুরক্ষা উপকরণ, সহায়তা করেছেন বিপন্ন জনগোষ্ঠীকে। তার এই মানবিক কার্যক্রম শুধু কক্সবাজারেই নয়, দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে আছে।

এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন,
মানুষের বিপদের সময় যে পাশে থাকে, সে-ই প্রকৃত বন্ধু। আমি কোনো জনপ্রতিনিধি হতে চাই না, চাই মানুষের দুঃসময়ের বন্ধু হতে। পুলিশের সহযোগিতা পেলে আরও বৃহৎ পরিসরে এই কাজ করতে পারব।
সচেতন মহল মনে করছেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও এভাবে সমাজসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করা বাংলাদেশ পুলিশের মানবিক রূপের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার মতো কর্মকর্তারা দেশের পর্যটন ও সমাজে ইতিবাচক প্রভাব রাখছেন বলেও মত দিয়েছেন তারা।
গ্রীণলিফ ম্যাগাজিন কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জনাব আপেল মাহমুদের পেশাদারিত্ব ও মানবিক কাজ পর্যটন শিল্পের বিকাশে অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে এবং পুলিশ-জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে।
